রাজশাহীর তানোরের মুন্ডুমালা পৌর সদরের ‘খাইরুল ফিজিক্স’ নামের একটি প্রাইভেট সেন্টারের পরিচালক ও শিক্ষক খাইরুল ইসলাম ও তার আরো একজন সহযোগী শিক্ষক তাদের প্রাইভেট সেন্টারের বিছানায় বসিয়ে (শিক্ষার্থীর) ছাত্রী হাতে সিগারেট তুলে দিয়ে ধুমপান করা শেখাচ্ছেন। অন্যদিকে পাশের ঘরেই অপর একজনকে ঘনিষ্ঠভাবে এক শিক্ষার্থীর (ছাত্রী) সঙ্গে খোশগল্পের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এছাড়াও ওই প্রাইভেট সেন্টারে নানা অনৈতিক কর্মকান্ড হয় বলে এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে।
এদিকে এ ঘটনায় এলাকার অভিভাবক শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। তারা কথিত খাইরুল ফিজিক্স প্রাইভেট সেন্টার বন্ধ ও অভিযুক্ত খাইরুল ইসলামকে আটকের দাবি করেছে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিকতা ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা থাকলেও এমন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রাইভেট সেন্টারে এক শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষক খাইরুল সিগারেট ধরিয়ে দিচ্ছেন এমন একটি বিষয় স্থানীয়দের নজরে এসেছে। ঘটনাটি নিয়ে অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। কারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা। সেখানে একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীর হাতে সিগারেট তুলে দেওয়ার মতো অভিযোগ সত্য হলে বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এবিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেস্টা করা হলেও খাইরুল ইসলামের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার কোনো বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।তবে এখানো কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।
এদিকে এ ঘটনায় এলাকার অভিভাবক শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। তারা কথিত খাইরুল ফিজিক্স প্রাইভেট সেন্টার বন্ধ ও অভিযুক্ত খাইরুল ইসলামকে আটকের দাবি করেছে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিকতা ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা থাকলেও এমন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রাইভেট সেন্টারে এক শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষক খাইরুল সিগারেট ধরিয়ে দিচ্ছেন এমন একটি বিষয় স্থানীয়দের নজরে এসেছে। ঘটনাটি নিয়ে অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। কারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা। সেখানে একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীর হাতে সিগারেট তুলে দেওয়ার মতো অভিযোগ সত্য হলে বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এবিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেস্টা করা হলেও খাইরুল ইসলামের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার কোনো বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।তবে এখানো কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।
আলিফ হোসেন